হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘এই সংসদে আজকে যে পাটাতনের ওপর দাঁড়িয়ে আছি, এই সংসদ, সংসদ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা, সরকারি বেঞ্চে যাঁরা উপস্থিত আছেন, প্রত্যেকে এই সংসদে আসার পথে যে ক্রান্তিকালীন পর্যায়ে অতিক্রম করে এখানে এসেছেন। এই পুরো জার্নির পেছনে যে আইন জড়িত, তা নিয়ে আপত্তি উত্থাপন করছি। এটার আলোচনার জন্য দুই মিনিট সময় অপ্রতুল।’
এ পর্যায়ে স্পিকার মাইক বন্ধ করে দিলে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, সংসদে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশংসা, অন্য বিষয়ে অনেক সময় অপচয় হয়। জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়ে তিনি আলোচনার জন্য সময় বাড়িয়ে দিতে স্পিকারের প্রতি অনুরোধ জানান।
সময় বাড়িয়ে দিলে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আজকে যে আইনটি পাস করার কথা বলাা হচ্ছে, তার মধ্য দিয়ে ২০০৯ সালের মানবাধিকার কমিশনকে রিস্টোর (পুনঃপ্রচলন) করবে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ২০০৯ সালের যে আইন রয়েছে, সেই আইনের প্রয়োগ দীর্ঘ ১৭ বছরে হয়েছে আমরা তা দেখেছি। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে “বিরোধী দল ও মতকে দমন কমিশন” হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বিএনপিকে দমন করার বৈধতা মানবাধিকার কমিশন উৎপাদন করেছে।’