শৈশবে অভাবের কারণে স্কুলের দুয়ারে পা রাখা হয়নি দিপালীর। নিজের সুখ-আহ্লাদ বিসর্জন দিয়ে পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে পাড়ি জমিয়েছিলেন লেবাননে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আগুন কেড়ে নিল সেই স্বপ্নচারী নারীকে। ২০১১ সালে যখন দিপালী প্রথম জীবিকার তাগিদে লেবাননে যান, তখন ছোট বোন লাইজু বেগমের বয়স ছিল ১০–১১ বছর। বড় বোনের সঙ্গে কাটানো সেই শৈশবের স্মৃতি হাতড়ে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন লাইজু।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে লাইজু বলেন, ‘আপার সঙ্গে ছোটবেলার অনেক স্মৃতি মনে পড়ে। অভাবের কারণে পড়াশোনা করতে পারেনি আমার আপা। আপা সারা জীবন শুধু আমাদের জন্যই ভেবেছে। বিদেশ থেকে যখন দেশে আসত, নিজের সবটুকু দিয়ে আমাদের জন্য কিছু না কিছু আনার চেষ্টা করত। নিজের জন্য কোনো দিন ভাবেনি, সবটুকুই বিলিয়ে দিতে চেয়েছে সংসারের জন্য।’