সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর অফিসকক্ষে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গত ৯ ফেব্রুয়ারি মার্কিন পাল্টা শুল্ক ইস্যুতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি হয়।
আজকের বৈঠকে দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান বাণিজ্য সম্পর্ক আরও জোরদার করা এবং নতুন নতুন খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে পৃথক কোনো আলোচনা হয়নি। এই চুক্তি ইতিমধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং এটি দুই দেশের মধ্যে একটি রাষ্ট্রীয় চুক্তি। ফলে এ নিয়ে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কিছু নেই।
চুক্তিটি বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তিতে দুই পক্ষেরই কিছু দাবি থাকে। কিছু ধারা এক পক্ষের অনুকূলে থাকে, আবার কিছু ধারা অন্য পক্ষের জন্য সুবিধাজনক হয়। আলোচনার মাধ্যমে একটি উইন-উইন পরিস্থিতিতে পৌঁছানোর চেষ্টা করা হয়।