এ সময় লাঠিচার্জে ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় নিরস্ত্র মানুষের ভিড়। প্রায় ১০০ তরুণ-তরুণীকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। তাঁদের কারও হাড় ভেঙেছে, কারও শরীরে গভীর আঘাত লেগেছে, কারও মনে ভয়াবহ ধাক্কা লেগেছে। নিরস্ত্র যুবকদের ওপর পুলিশের লাঠি চালানোর দৃশ্য এবং তার সঙ্গে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়া দেখে মনে হয়েছে যেন একটি সাংবিধানিক রাষ্ট্র নয়, বরং কঠোর পুলিশি শাসন চলছে।

জনতার ভিড়ে দাঁড়িয়ে আমি এক তরুণের সঙ্গে কথা বলেছিলাম। তাঁর মাথা ও চোখের নিচে লাঠির আঘাত লেগেছিল। রক্ত থামাতে বড় ব্যান্ডেজ বাঁধা হয়েছিল। তিনি তখনো আন্দোলনকারীদের মধ্যে পানি বিলি করছিলেন। এমন দৃশ্য দেখে হৃদয় ভেঙে যায়। যারা আইন রক্ষার দায়িত্বে, তারা কীভাবে এমন আচরণ করতে পারে?

বিরোধী দলের নেতার প্রতি এবং পরিবেশকর্মী-শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুকের অনশনকে কেন্দ্র করে সরকারের আচরণ সমানভাবে উদ্বেগজনক ছিল। তিন সপ্তাহ ধরে ওয়াংচুক যন্তর মন্তরে শান্তভাবে অনশন করছিলেন। ওয়াংচুকের প্রতিবাদের পদ্ধতি একেবারে গান্ধীর মতো। তিনি গান্ধীর মতোই নিজেকে কষ্ট দিয়ে রাষ্ট্রের বিবেককে জাগ্রত করতে চেয়েছেন।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews