ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার বিষয়টি এখন তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে সংঘাতের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। কলকাতা মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনের কাউন্সিলর ও তৃণমূল নেত্রী পর্দা পারভিনের ভাষ্যমতে, নাম বাদ দেওয়ার পেছনে কর্মকর্তারা যেসব অযৌক্তিক কারণ দেখাচ্ছেন, তা দরিদ্র ও স্বল্পশিক্ষিত মানুষের জন্য সম্পূর্ণ বিভ্রান্তিকর। তিনি দাবি করেন, হিন্দুদের তুলনায় অনেক বেশি হারে মুসলিমদের নাম তালিকা থেকে ছেঁটে ফেলা হয়েছে।
মুসলিম ভোটারদের এক বড় অংশ বরাবরের মতোই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি গভীরভাবে আস্থাশীল। কারণ, তিনি নিজেকে ধর্মনিরপেক্ষ রাজনীতির একনিষ্ঠ প্রবক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। বাহ্যিকভাবে সাধারণ শাড়িতে অনাড়ম্বর জীবন যাপন করলেও রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তাঁর ভাষা তীক্ষ্ণ এবং অত্যন্ত আক্রমণাত্মক।
২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কট্টর সমালোচক এবং অটল রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী। যেকোনো বিপদে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অদম্য ভাবমূর্তিই তাঁকে আপামর জনতার ‘দিদি’ বানিয়ে তুলেছে।