বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের কালপর্বে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা তোফায়েল আহমেদ চিরবিদায় নিলেন। প্রায় দেড় দশক ধরেই দলীয় রাজনীতিতে কোণঠাসা হয়ে ছিলেন তিনি; আর তাঁর মৃত্যুর সময় আওয়ামী লীগের কার্যক্রমও রয়েছে নিষিদ্ধ। অথচ এই তোফায়েল আহমেদই ডাকসুর ভিপি হয়ে ছাত্রনেতা হিসেবে বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন গত শতকে। মাত্র ২৭ বছর বয়সে এমপি হয়েছিলেন, পেয়েছিলেন বঙ্গবন্ধুর সাহচর্য। পরে আওয়ামী লীগে ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। মন্ত্রীও হয়েছিলেন একাধিকবার।
দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার তোফায়েল আহমেদ ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনেরা জানান, ২০২৪ সালের শুরু থেকেই গুরুতর অসুস্থ ছিলেন তোফায়েল আহমেদ। একপর্যায়ে বাসা থেকে বের হওয়া প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। হাসপাতাল ও চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানেই জীবনের শেষ দিনগুলো কেটেছে তাঁর।