অর্থ দিয়ে ইউরেনিয়াম বুঝে নিয়ে চলে যাওয়ার সময় বাধার মুখে পড়েন সোহানা। তাঁর দিকে ‘চোখ’ পড়ে চোরাচালান চক্রের সদস্যদের।
এমন পরিস্থিতিতে ‘করণীয়’ সোহানার খুব ভালো করেই জানা। তাঁর তুমুল মারে চোরাচালান চক্রের সদস্যরা একদম সোজা। আমরা পরিচিত হই এক অ্যাকশন নায়িকা পূজা চেরীর সঙ্গে।
ইউরেনিয়ামের এই চালান শেষ পর্যন্ত নিজের হাতে নিতে সক্ষম হন মাসুদ রানা। যদিও তা করতে গিয়ে তাঁকে রীতিমতো মৃত্যুর মুখে পড়তে হয়েছিল।
মাসুদ রানা তাঁর এই সফল মিশন থেকে আরও ভয়ংকর সব তথ্য জানতে পারেন। পরে আরও জানতে পারেন, দেশে ইউরেনিয়ামের ডজনখানেক চালান এনে চালানো হবে বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড। এর লক্ষ্য দেশের তিনটি সমুদ্রবন্দর। এগুলো উড়িয়ে দেওয়া হবে। ধ্বংস করে দেওয়া হবে দেশের অর্থনৈতিক শক্তি।
সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কটির কোনো অফিস নেই। ঠিকানা নেই। সব কাজ চলে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে। যাকেই ধরা হয়, সে আর বলতে পারে না, এই নেটওয়ার্কের মূলে কে। খোঁজ চলে। মাসুদ রানা ছুটতে থাকেন।
মাসুদ রানারই এক সাবেক সহকর্মীর মাধ্যমে শেষে জানা যায়, এই নেটওয়ার্কের মূলে থাকা অন্যতম ব্যক্তি সোহানারই ভাই। তিনি ব্যবসায়ী। তবে অর্থের লোভে এই চক্রে জড়িয়ে দেশের বড় ক্ষতি করতে যাচ্ছেন। মিয়ানমারের এই সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের হয়ে যে তিনি কাজ করছেন, তা সোহানাও জানতেন না। বরং সোহানাকে তাঁর ভাই ব্ল্যাকমেল করে ব্যবহার করছিলেন।
সন্ত্রাসীদের হাত থেকে তিনটি সমুদ্রবন্দর রক্ষায় শুরু হয় অভিযান। এই অভিযানে মাসুদ রানার সাবেক সহকর্মীর পাশাপাশি সোহানাও যোগ দেন। দেশের স্বার্থ রক্ষার এই মিশনে সোহানার প্রতিপক্ষ তাঁর আপন ভাই। কী করবেন তিনি?