ডেভিড–ভিক্টোরিয়া দম্পতির চার সন্তান—তিন ছেলে, এক মেয়ে। বড় ছেলে সস্ত্রীক যুক্তরাষ্ট্রে থাকেন। বাকি তিন সন্তানকে নিয়ে হল্যান্ড পার্কের বাড়িতে থাকেন বেকহাম দম্পতি। লন্ডনের বিলাসবহুল এই বাড়িতে থেকেও একটা গ্রামীণ বাড়ির জন্য টান অনুভব করছিলেন ডেভিড। তারই খোঁজে ২০১৬ সালে হঠাৎ একদিন কাউকে কিছু না জানিয়ে বেরিয়ে পড়েন। প্রায় ছয় মাস ধরে খুঁজেও মনমতো জায়গা না পেয়ে প্রায় আশাই ছেড়ে দিয়েছিলেন। একদিন অক্সফোর্ডশায়ারের চিপিং নরটনের একটি গ্রামের রাস্তা দিয়ে গাড়ি চালিয়ে ফিরছিলেন।
এলাকাটিকে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে সুন্দর গ্রামীণ এলাকা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মেগান মার্কেলকে বিয়ের পর ব্রিটিশ রাজা চার্লসের ছোট ছেলে প্রিন্স হ্যারি এই এলাকারই একটি বাড়িতে উঠেছিলেন। এ ছাড়া তারকাদের কাছে জনপ্রিয় সোহো ফার্মহাউস বেকহামদের বাড়ির কাছেই।
বেকহামের গাড়িটি কটসওল্ডস এলাকায় আসতেই দেখেন, দুটি ক্ষতিগ্রস্ত বার্ন হাউস (শস্যাগার), একগাদা ইট ও ময়লা–আবর্জনার পাশে একদল লোক দাঁড়িয়ে। গাড়ি থামিয়ে তাঁদের উদ্দেশে হাঁক দিলেন বেকহাম, ‘হেই, এখানে কী হচ্ছে?’ তাঁরা জানালেন, শস্যাগার সারাইয়ের চেষ্টা করছেন। সঙ্গে সঙ্গে বেকহাম বললেন, ‘কাজ বন্ধ করো।’ এই ঘটনার এক সপ্তাহের মধ্যে ২৬ একর জায়গাসহ খামারবাড়িটা কিনে নেন ডেভিড বেকহাম।