কোনো স্বৈরশাসকই চিরস্থায়ী নন। একদিন ভ্লাদিমির পুতিনও ক্ষমতা থেকে বিদায় নেবেন। সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রতিবেদনে রাশিয়ার অর্থনীতির দুর্বলতা, সমাজে অসন্তোষ এবং তাঁর শাসনব্যবস্থার ভেতরে আস্থাহীনতা বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু তাই বলে পুতিনের পতন খুব কাছাকাছি—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো বোকামি হবে। মৃত্যু অথবা রাশিয়াই কেবল পুতিনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারে, আর সেটা কখন বা কীভাবে ঘটবে, তা কেউ জানে না।
ইউরোপসহ বিশ্বের গণতান্ত্রিক দেশগুলো যা করতে পারে, তা হলো তাঁর বহির্মুখী উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে পরাজিত করার জন্য একটি সুস্পষ্ট কৌশল গড়ে তোলা। এমন কৌশলের আটটি উপাদানের একটি অসম্পূর্ণ তালিকা এখানে দেওয়া হলো।
প্রথমত, লক্ষ্য হতে হবে একেবারে পরিষ্কার। পুতিনের লক্ষ্য হলো ইউক্রেনকে বশ্যতা স্বীকারে বাধ্য করা, যতটা সম্ভব রুশ সাম্রাজ্য পুনর্গঠন করা, ন্যাটোর বিশ্বাসযোগ্যতা ধ্বংস করা, ইউরোপীয় ইউনিয়নকে দুর্বল করা এবং পূর্ব ইউরোপের ওপর রাশিয়ার প্রভাবক্ষেত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। তাঁকে পরাজিত করার অর্থ হলো এসব লক্ষ্য অর্জনে বাধা দেওয়া।