দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত সোমবার জয়নাল ও তাঁর স্ত্রী আনিছুন নাহারকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে দুদক।
দুদকের আইনজীবী মাহমুদুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ২১ সেপ্টেম্বর অভিযোগপত্রটি গ্রহণের শুনানির জন্য জেলা ও দায়রা জজ আদালতে দিন ধার্য রয়েছে। জয়নালের বিরুদ্ধে আরও তিনটি এবং তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে একটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। জয়নাল জামিনে থাকলেও তাঁর স্ত্রী পলাতক।

এনআইডি জালিয়াতি ধরা পড়ে ২০১৯ সালের ২২ আগস্ট। সেদিন লাকী নামের এক নারী চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে স্মার্ট কার্ড তুলতে গেলে কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে বেরিয়ে আসে, ওই নারী রোহিঙ্গা এবং টাকা দিয়ে এনআইডি করিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে তখন প্রথম আলোয় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এ ঘটনায় জয়নালসহ অন্যরা জড়িতে বলে জানতে পারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ওই বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশনের (ইসি) একটি ল্যাপটপসহ জয়নালসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় ও পরে ডবলমুরিং থানায় নির্বাচন কমিশন মামলা করে। ডবলমুরিংয়ের মামলাটি সিআইডি আর অন্যটি পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট তদন্ত করছে। এ ছাড়া অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে জয়নাল ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে ওই বছরের ১ ডিসেম্বর মামলাটি করে দুদক।
জয়নাল আবেদীনের বাড়ি জেলার বাঁশখালীর দক্ষিণ জলদীর আশকরিয়াপাড়ায়। তাঁর বাবা মাছ ধরার ট্রলারে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। ২০০৪ সালের নভেম্বরে চট্টগ্রাম জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে অফিস সহায়ক পদে যোগ দেন জয়নাল।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews