বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলকে দখল করে নিয়ে ভারতীয় শিলিগুড়ি চিকেননেককে অন্তত দেড় শ কিলোমিটার চওড়া করতে সুবিশাল পরিকল্পনা নিয়ে আগাচ্ছে দিল্লি। চিকেননেকে সবচেয়ে সরু জায়গা হচ্ছে ২০ থেকে ২২ কিলোমিটার। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে অব্যাহতভাবে বাংলাদেশবিরোধী অপপ্রচার চলছে। বয়ানের পর বয়ান তৈরিতে অত্যন্ত সিদ্ধহস্ত ভারতের তিনজন প্রতিরক্ষা কৌশলবিদ, রাষ্ট্রদূত ও সিনিয়র সাংবাদিক অব্যাহতভাবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ববিরোধী প্রচারণাসর্বস্ব প্রবন্ধ রচনা করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের তরফ থেকে এর কোনো প্রতিবাদ আজ পর্যন্ত দেখা যায়নি। ওই তিনজন ভারতীয় হচ্ছেন নয়াদিল্লির সেন্টার ফর পলিসি রিসার্চের সিনিয়র ফেলো ভারত কার্নাড, রাষ্ট্রদূত জয়দীপ মজুমদার ও সাংবাদিক আর জগন্নাথন। তাদের লেখার সূত্র ধরেই বাংলাদেশে পুশইন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রবাসী সরকার গঠন ও আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের নানা জল্পনা চলছে।

এই তিন ভারতীয়ের লেখার মূল মর্মবাণী হচ্ছে বাংলাদেশের রংপুর, চট্টগ্রাম, সিলেটের বেশ কিছু অংশ দখল করে নিতে হবে। কানাডার লুইজিয়ানা যেমন যুক্তরাষ্ট্র কিনে নিয়েছিল প্রয়োজনে রংপুরকে বাংলাদেশকে ২০ বিলিয়ন ডলার খরচ দিয়ে কিনে নিতে হবে। বাংলাদেশ রাজি না হলে প্রয়োজনে সামরিক অভিযান চালিয়ে রংপুর অঞ্চল দখল করে নিতে হবে। শিলিগুড়ি চিকেননেকে ইতিমধ্যে সামরিক স্থাপনা ও ভূগর্ভস্ত রেলপথ নির্মাণের কাজ শুরু করেছে ভারত। বিপরীতে বাংলাদেশের রাজনীতি ও কূটনৈতিক অঙ্গনে এসব বিষয় নিয়ে সরব ও সোচ্চার হওয়া তো দূরের কথা উটপাখির মতো বালুতে মুখ গুঁজে রাখার আত্মবিধ্বংসী এক নীরবতা লক্ষ করা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বিশ্বে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ববিরোধী এমন ভয়ঙ্কর অপপ্রচারের পাল্টা কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। কার্যত হাসিনার পতনের পর থেকে ভারত অব্যাহতভাবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এ ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে এলেও এখন পরিকল্পনার অংশ বিশেষ বাস্তবায়ন দৃশ্যমান হয়ে উঠছে। সীমান্তে পুশইন, সামরিক স্থাপনা নির্মাণ, বাংলাদেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি সেসব পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

কে এই ভারত কার্নাড

ভারতের (প্রথম) জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বোর্ড এবং পারমাণবিক মতবাদেও খসড়া প্রণয়নকারী দলের সদস্য ছিলেন ভারত কার্নাড। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়, পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, সাংহাই ইনস্টিটিউটস অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ এবং ওয়াশিংটন ডিসির হেনরি এল. স্টিমসন সেন্টারে ভিজিটিং স্কলার হিসেবে কাজ করেছেন তিনি।

ভারত কার্নাডের প্রবন্ধের শিরোনাম হচ্ছে, ‘শিলিগুড়ি করিডোর প্রশস্ত করুন, বাংলাদেশের রংপুর বিভাগ সংযুক্ত করুন’। কোনো রাখ ঢাক না রেখেই তিনি বলছেন, বাংলাদেশ আবারো উত্তপ্ত এবং সেখানকার অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি এমন দিকে মোড় নিচ্ছে যে, শুধু বাংলাদেশের এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি চিরতরে সমাধান করতেই নয়, বরং ভারতের ভূখণ্ডগত অখণ্ডতার জন্য হুমকিস্বরূপ একটি ভূ-কৌশলগত সমস্যার অবসান ঘটাতেও ভারতের হস্তক্ষেপ অপরিহার্য হয়ে উঠতে পারে। ভারত তার পূর্বাঞ্চলে এমন একটি দেশকে আর সহ্য করতে পারে না এবং করা উচিতও নয়, যে দেশটি চীনের সামরিক প্রক্সি এবং চরমপন্থী ইসলামপন্থী ঘাঁটি হয়ে ওঠার হুমকি দিচ্ছে। বৈরী মনোভাবাপন্ন ঢাকা পরিস্থিতিকে কঠিন করে তোলায়, সম্ভবত ডক লা এবং শিলিগুড়ি করিডোরের মধ্যে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৩৩তম কোর উভয় দিক থেকে চাপের মুখে পড়তে পারে। ভারতের জন্য এখন সময় এসেছে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় রংপুর বিভাগকে সামরিকভাবে বিচ্ছিন্ন করে ফেলার, যার মাধ্যমে পশ্চিম-পূর্ব বালুরঘাট-গাইবান্ধা রেখা বরাবর সীমান্তকে মোটামুটিভাবে সোজা ও যৌক্তিক করা যাবে।

ভারত কার্নাডের খায়েশ হচ্ছে শিলিগুড়ি চিকেননেক করিডোরটি প্রশস্ত করা ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য, বিশেষ করে যখন বাংলাদেশ চীনের সাথে সামরিক আঁতাত করছে। তিনি পথ বাতলে দিয়ে বলেছেন, রংপুর ডিভিশনকে আসামের (পশ্চিমবঙ্গের নয়) অন্তর্ভুুক্ত করলে, করিডোর থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার চড়াইয়ে অবস্থিত ভারত, ভুটান ও চীনের ডক লা ত্রি-সংযোগস্থলে ঘাঁটি গেড়ে থাকা চীনা পিএলএ-র মোকাবেলা করার ক্ষেত্রে ভারতের ভুলের সুযোগ বেড়ে যাবে। বাংলাদেশ-চীন সামরিক জোটকে প্রতিহত করার জন্য ঢাকাকে ১৬ হাজার ১৮৫ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের রংপুর অঞ্চলকে শান্তিপূর্ণ হস্তান্তরের আলোচনায় প্ররোচিত করা। তার মানে বাংলাদেশে রংপুরের উল্লেখিত অংশটি ১০-২০ বিলিয়ন ডলারে সরাসরি কিনে নিতে পারলে দেশটির ১০৪ বিলিয়ন ডলারের বকেয়া বিদেশী ঋণ-সমস্যাও লাঘব হবে। তা করতে ব্যর্থ হলে, ঢাকাকে একটি চুক্তির মাধ্যমে চূড়ান্ত ও বলবৎযোগ্য নিশ্চয়তা দিতে হবে যে, দেশটি কোনো অবস্থাতেই চীনের (বা পাকিস্তানের) সাথে কৌশলগত জোট তৈরি করবে না বা সামরিকভাবে একযোগে কাজ করবে না। ঢাকা তা না মানলে সরাসরি সামরিক অভিযান চালিয়ে তা দখলে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ভারত কার্নাড।

এখানেই শেষ নয়, ভারত কার্নাডের আরেক প্রস্তাব হচ্ছে দক্ষিণ ত্রিপুরা থেকে বঙ্গোপসাগরের জলরাশি পর্যন্ত ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ চট্টগ্রাম করিডোর। রংপুর হারিয়ে যদি ঢাকা যেকোনো কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখায় তাহলে চট্টগ্রাম করিডোরকেও সংযুক্ত করতে হবে। ভারত সরকার, আসাম রাজ্য সরকার এবং তাদের সংস্থাগুলোর উচিত প্রতিপক্ষের সাথে ষড়যন্ত্রকারী এক বিদ্বেষী বাংলাদেশের দ্বারা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জন্য সৃষ্ট কৌশলগত দুর্বলতা সম্পর্কে ক্রমাগত প্রচার চালিয়ে যাওয়া, যাতে ভূখণ্ডগত পুনর্বিন্যাস বাস্তবায়নের জন্য চূড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণের একটি বৈধ ও বাস্তবসম্মত যুক্তি পাওয়া যায়।

ভারতীয় রাষ্ট্রদূত জয়দীপ মজুমদার

৩৪ বছরেরও বেশি দীর্ঘ কর্মজীবনে এই ভারতীয় রাষ্ট্রদূত চীন, বাংলাদেশ, আমেরিকাসহ একাধিক দেশে রাষ্ট্রদূত ছাড়াও বিভিন্ন কূটনৈতিক পদে ছিলেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থায় স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তাবিষয়ক, পারমাণবিক শক্তি ও মহাকাশ বিষয়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের প্রতি তার বৈরী আচরণ ও বাংলাদেশের অস্তিত্ব বিপন্ন করতে তার ধারণা কৌশলের জন্যে জয়দীপ ভারতীয় থিংকট্যাংকারদের কাছে সুপরিচিত।

জয়দীপ মজুমদারের একনম্বর খায়েশ হচ্ছে বাংলাদেশের হিন্দুদের জন্য একটি স্বদেশভূমি গঠন এবং ‘স্থলবেষ্টিত’ উত্তর-পূর্ব ভারতকে বঙ্গোপসাগরের সাথে যুক্ত করা। তার সবচেয়ে বড় ভয় হচ্ছে, সংকীর্ণ ‘চিকেন নেক’ করিডোরের দুর্বলতা। জয়দীপের ধারণা অঞ্চলটি উগ্র ইসলামপন্থীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ায় এবং চীনা বাহিনী কাছাকাছি থাকায়, কোনো প্রতিকূলতা ও সংঘাতের ক্ষেত্রে উত্তর-পূর্বাঞ্চল সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। সাম্প্রতিক দশকগুলোতে এই ‘করিডোরে’ ব্যাপক ও উদ্বেগজনক জনসংখ্যাগত পরিবর্তন এটিকে আরো বেশি ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। তাই জয়দীপ মজুমদারও চান ভারতের উচিত চিকেননেক প্রশস্ত করতে বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চল দখল করে নেয়া। আর চট্টগ্রামের দিকে নজর দেয়ার কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে সমুদ্রপথটি আরো সংক্ষিপ্ত ও সহজ যা আগরতলা থেকে সড়কপথে মাত্র ২১৪ কিলোমিটার দূরে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা সময় লাগে। ত্রিপুরার দক্ষিণতম প্রান্ত থেকে বঙ্গোপসাগর মাত্র ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

বাংলাদেশে কথিত ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে জয়দীপ চান বাংলাদেশে ভারতের ভূখণ্ডগত সম্প্রসারণ। তিনি তার লেখায় বলেছেন, এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি উর্বর ক্ষেত্র তৈরি করতে ভারত বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাবলিকে কাজে লাগাতে পারে। বাংলাদেশের হিন্দুরা, যাদের সংখ্যা এখন প্রায় ১.৩ কোটি, নিজেদের জন্য একটি পৃথক মাতৃভূমির দাবি জানাতে শুরু করেছে, দেশটির রংপুর বিভাগ এবং দক্ষিণ-পূর্বের চট্টগ্রাম বিভাগের একটি বড় অংশ দেশের নির্যাতিত হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য আদর্শ মাতৃভূমি হবে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিপুণ কূটনীতির পাশাপাশি বাংলাদেশের ইসলামপন্থী শাসকদেরকে পরাস্ত করার জন্য সতর্ক পরিকল্পনা এবং চতুর কৌশলের প্রয়োজন হবে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের দুর্দশা তুলে ধরতে ভারতের উচিত বিভিন্ন বহুপক্ষীয় ফোরামে তার অবস্থান, বিশ্ব মঞ্চে তার ক্রমবর্ধমান প্রভাব এবং অনেক শক্তিশালী দেশের সাথে তার সুসম্পর্ককে কাজে লাগানো। একই সাথে, বাংলাদেশের সংখ্যালঘু অধিকার সংগঠনগুলোকে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে এবং দাবি জানাতে ভারতের উচিত তাদের উৎসাহিত করা ও সম্পদ সরবরাহ করা।

একই সাথে জয়দীপ ভারত সরকারকে বাংলাদেশে দ্রুত সামরিক পদক্ষেপের জন্য প্রস্তুতির তাগিদ দিয়েছেন। তিনি মনে করেন রংপুর ও চট্টগ্রাম দখলের জন্য ভারতের পক্ষ থেকে একটি দ্রুত সামরিক অভিযান শুরু করা উচিত। রংপুর ও চট্টগ্রাম দখলের জন্য গোপন অভিযানসহ দ্রুত ও চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিতে ভারতের সশস্ত্র বাহিনী, বিশেষ করে তাদের বিশেষ বাহিনীকে ভালোভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ভারতীয় বাহিনীকে সাহায্য করার জন্য আগে থেকেই প্রস্তুত থাকতে হবে, ঠিক যেমনটা ১৯৭১ সালে করা হয়েছিল, যখন ভারত ‘মুক্তিযোদ্ধাদের’ প্রশিক্ষণ দিয়েছিল, যারা ভারতীয় সেনাবাহিনীর সহায়ক বাহিনী হিসেবে কাজ করেছিল।

আর জগন্নাথন বাংলাদেশের হিন্দুদের জন্যে দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান চান

আর জগন্নাথন ব্যবসা ও সাধারণ সাংবাদিকতায় ৪৭ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন সাংবাদিক। তার কাছে বাংলাদেশের এক কোটি ৩১ লাখ হিন্দুকে রক্ষা করার আসলে একটাই উপায় আছে। তিনি মনে করেন, দ্বিজাতি তত্ত্ব অন্য যেকোনো জায়গার চেয়ে বাংলাদেশে বেশি প্রাসঙ্গিক এবং ভারতকে অবশ্যই তা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করতে হবে। সেই কাজের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের হিন্দুদের ভারতের সীমান্তবর্তী বিভাগগুলোর দিকে ক্রমান্বয়ে সরে যেতে এবং সেখানে পুনর্বাসিত হতে উৎসাহিত করতে হবে, ভারত তখন তাদেরকে সামরিকভাবে সুরক্ষা দিতে পারবে।

জগন্নাথন লিখেছেন, বাংলাদেশের এক কোটি ৩১ লাখ হিন্দু দেশের আটটি প্রধান বিভাগে এতটাই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছেন যে, তারা কোথাওই একটি কার্যকর সংখ্যালঘু গোষ্ঠী গঠন করতে পারেননি। শুধুমাত্র ভারতের সীমান্তবর্তী রংপুর (উত্তর-পশ্চিম বাংলাদেশ), খুলনা (দক্ষিণ-পশ্চিম) এবং সিলেট (উত্তর-পূর্ব) বিভাগেই তাদের সংখ্যা ১০ শতাংশ অতিক্রম করেছে।

আরেকটু এগিয়ে জগন্নাথন লিখেছেন, বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে হবে রংপুর (যা ভারতের চিকেন’স নেক অঞ্চলের কাছাকাছি এবং আমাদের জন্যও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ), সিলেট এবং খুলনা। ভারতকে অবশ্যই বাংলাদেশের জন্য একটি দ্বি-জাতি সমাধান মেনে নিতে হবে, যেখানে বাংলাদেশের হিন্দুদের বসতি স্থাপনের জন্য ভূখণ্ডের একটি অংশ রাজনৈতিক চুক্তির মাধ্যমে বা বলপূর্বক কেটে নেয়া হবে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews