২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইরফান ভারতের হয়ে খেলেন। ফাইনালে পাকিস্তানের বিপক্ষে মাত্র ১৬ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরাও হন ইরফান। তবে ২০০৭ সালে ধোনি ভারতের অধিনায়ক হওয়ার পর থেকেই নাকি দলে তাঁর গুরুত্ব কমতে শুরু করে। উদাহরণ হিসেবে পাঠান ২০০৮ সালের অস্ট্রেলিয়া সফরের একটি ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেন।
সে সময় গণমাধ্যমে খবর বের হয় যে ধোনি বলেছেন, পাঠান ভালো বোলিং করছেন না। এ বিষয়ে পরিষ্কার হতে পাঠান সরাসরি ধোনির কাছে গিয়েছিলেন। ২০২০ সালের সাক্ষাৎকারটিতে পাঠান বলেন, ‘আমি সিরিজের সময়ই ধোনিকে এ মন্তব্য নিয়ে জিজ্ঞেস করেছিলাম। কারণ, মাঝেমধ্যে মিডিয়ায় মন্তব্য বিকৃত করা হয়, তাই আমিও নিশ্চিত হতে চেয়েছিলাম। তখন ধোনি আমাকে বলেছে, “সব ঠিক আছে, ইরফান, কোনো সমস্যা নেই।” কিন্তু একই ঘটনা বারবার ঘটছিল, তাই আমি আর জিজ্ঞেস করা ছেড়ে দিয়েছিলাম; কারণ, পাঠানরা তাদের আত্মসম্মানকে খুব গুরুত্ব দেয়।’
এরপর পাঠান হুঁকার প্রসঙ্গ আনেন। সরাসরি ধোনির নাম না বললেও তাঁর ইঙ্গিতে যে ধোনিই ছিলেন, সেটা স্পষ্টই। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমার এমন অভ্যাস নেই যে আমি কারও ঘরে গিয়ে হুঁকা সেট করব বা এ ধরনের কোনো কথা বলব। সবাই জানে। মাঝেমধ্যে এসব বিষয়ে কথা না বলাই ভালো। একজন ক্রিকেটারের কাজ হলো মাঠে ভালো পারফর্ম করা, আর আমি সব সময় সেদিকেই মনোযোগ দিতাম।’
ব্যস! এর পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে ধোনি ও হুঁকা।