ষাট ও সত্তরের দশকে করা নিতুন কুন্ডুর চিত্রগুলোয় সৃজনী উৎকর্ষের স্বাক্ষর রয়েছে। তিনি ছিলেন আর্ট ইনস্টিটিউটের মেধাবী ও উজ্জ্বল ছাত্র। তাঁর ড্রয়িং ছিল শক্তিশালী। তেলরঙের কাজে তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। ষাটের দশকের শেষ পর্যায়ে ইউসিসে তিনি ‘ছাপাই’ ছবির যে প্রদর্শনী করেছিলেন নান্দনিক বৈভব ও চিত্রশৈলীতে, তা অভিনব বলে বিবেচিত হয়েছিল। তাই তো তিনি ১৯৬৫ সালে জাতীয় চিত্রকলা পুরস্কার ও ১৯৯৭ সালে সর্বোচ্চ জাতীয় বেসামরিক পুরস্কার ‘একুশে পদক’ লাভ করেন। চিত্রকলার পাশাপাশি শিল্পের অন্যান্য ক্ষেত্রেও সমান ভূমিকা পালনকারী শিল্পী নিতুন কুন্ডুর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের পোস্টার ডিজাইন, ১৯৯২ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য ‘শাবাশ বাংলাদেশ’ এবং ১৯৯৩ সালে ঢাকায় নির্মিত ‘সার্ক ফোয়ারা’। মেধা ও মননে তিনি অটবিকে দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পপ্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলেন। মৃত্যুর আগপর্যন্ত তিনি দীর্ঘ তিন দশক অটবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews