জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সুপারিশটি গৃহীত হলেই কি বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বের হয়ে গেল কিংবা বের হবে বলে নিশ্চিত করা যায়? আসলে তা নয়। ২০২৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে হবে। বড় কোনো বিপর্যয়ে পড়া যাবে না। বিশেষ করে তিন বছর পরপর সিডিপি যে মূল্যায়ন করে তাতে ভালো করতে হবে। ২০২৪ সালে সিডিপি আবার মূল্যায়ন করবে। তখনো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে হবে। তা না হলে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ চাইলে বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বের হওয়ার অনুমোদনের বিষয়টি আরও পিছিয়ে দিতে পারে। একটি উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে— ২০০৩ সালে মালদ্বীপকে এলডিসি থেকে উত্তরণের সুপারিশ করে সিডিপি।

২০০৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে স্বীকৃতি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ২০০৪ সালের সুনামির কারণে মালদ্বীপের অর্থনীতি ভয়াবহ ঝুঁকিতে পড়ে। ফলে এলডিসি থেকে উত্তরণের স্বীকৃতি পেতে মালদ্বীপকে ২০১১ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।
আবার সিডিপির ত্রিবার্ষিক মূল্যায়নে একটি দেশ পাস করার সঙ্গে সঙ্গে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ তা গ্রহণ না–ও করতে পারে। যেমন ২০১৮ সালে সিডিপির ত্রিবার্ষিক মূল্যায়নে নেপাল এলডিসি থেকে বের হওয়ার সুপারিশ অর্জন করেছিল। কিন্তু নেপালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের কারণে সেবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ তা গ্রহণ করেনি। এবার বাংলাদেশের সঙ্গে নেপাল ও লাওসের সুপারিশ গ্রহণ করা হয়েছে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews