ব্যবহারকারীরা ট্রুকলারে অনেক নম্বর নিয়ে অভিযোগ জানায়। এসব রিপোর্ট ছাড়াও স্প্যাম শনাক্ত করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তিও ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটি।কোনো নম্বর কত ঘন ঘন কল করছে, কতজন সেই কল গ্রহণ করছে, কতজন কল কেটে দিচ্ছে কিংবা অল্প সময়ের মধ্যে কতজনকে ফোন করা হচ্ছে—এসব তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। নির্দিষ্ট কিছু আচরণগত বৈশিষ্ট্য পাওয়া গেলে নম্বরটিকে সম্ভাব্য স্প্যাম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, একটি নম্বর যদি এক ঘণ্টার মধ্যে হাজারো মানুষকে ফোন করে এবং অধিকাংশ ব্যবহারকারী সেই কল প্রত্যাখ্যান করেন, তাহলে সেটিকে স্প্যাম হিসেবে শনাক্ত করার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।কয়েক মুহূর্তেই পরিচয় দেখানো হয় যেভাবেফোনে কল আসার সঙ্গে সঙ্গে নম্বরটি ট্রুকলারের তথ্যভান্ডারে যাচাই করা হয়। মিল পাওয়া গেলে কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই কলদাতার সম্ভাব্য পরিচয় ব্যবহারকারীর পর্দায় দেখানো হয়।
অনেক সময় কল ধরার আগেই এ তথ্য দেখা যায়। এ জন্য ট্রুকলার দ্রুতগতির অনুসন্ধানপ্রযুক্তি, তথ্য সংরক্ষণব্যবস্থা ও অঞ্চলভিত্তিক সার্ভার ব্যবহার করে। নিয়মিত অনুসন্ধান করা নম্বরগুলোর তথ্য আগে থেকেই সংরক্ষণ করে রাখার ফলে খুব কম সময়েই ফলাফল দেখানো সম্ভব হয়।