খারকিভে রুশ বাহিনী পিছু হটার পর সেখানকার রুশপন্থী ইউক্রেনীয় নাগরিকেরাও এখন পালিয়ে এই সীমান্তের দিকে আসছেন। সাধারণ মানুষের মনে এখন ভয়, এ যুদ্ধ রাশিয়ায় ছড়িয়ে পড়তে পারে। এ পরিস্থিতিতে রুশ এই তিন সেনাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, ‘এখন কোথায় যাবেন?’ এর জবাবে তাঁরা বললেন, তাঁদের তা জানা নেই। তবে তাঁরা মনে করেন, সম্ভবত ‘সীমান্ত রক্ষার জন্য’ তাঁদের দক্ষিণে ফেরত পাঠানো হবে।

এর পরের দিনই রাশিয়ার ন্যাশনাল গার্ডের প্রায় ৪০০ সেনাকে বেলগোরোদে সীমান্ত রক্ষায় মোতায়েন করা হয়। সেখানকার এক অধিকারকর্মী ওই সেনাদের কথোপকথন শুনেছেন। চলমান এ যুদ্ধ নিয়ে ওই সেনারা নিজেরাই নিজেদের প্রশ্ন করছেন।
স্থানীয় বেশির ভাগ মানুষ মনে করেন, বেলগোরোদে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা কম। এখানে ওলেগের একটি রেস্তোরাঁ আছে। তিনি মূলত ইউক্রেনের বাসিন্দা। তাঁর পরনে ‘জন্ম খারকিভে’ লেখা শার্ট। তিনি যুদ্ধের ভয়ে যদি কখনো তাঁর রেস্তোরাঁর জানালা ঢেকে রাখার প্রয়োজন পড়ে, তাই প্লাইউড বোর্ড কিনেছেন।

ওলেগের রেস্তোরাঁর আরেক অংশীদার ডেনিস। তিনিও বোমা হামলার হাত থেকে বাঁচতে বাড়ির পেছনের উঠানে একটি আশ্রয়স্থল তৈরি করেছেন। তিনি তাঁর দাদিকে পূর্ব ইউক্রেনের একটি শহর থেকে নিয়ে এসেছেন। রুশ বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা যে শহরগুলোয় এখন লড়াই চলছে, সেগুলোর একটি ওই শহর। ডেনিসের আশা, এ উত্তেজনা কমবে। তারপরও তাঁরা সতর্কতা অবলম্বন করছেন। ওলেগ বলেন, ‘এই যুদ্ধ এখানে ছড়িয়ে পড়ুক, এটা কেউ চায় না। তবে আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে।’

বেলগোরোদের মূল বাজার ঘুরে ঘুরে সেনারা শীতের জন্য প্রয়োজনীয় পোশাক, খাবার সংগ্রহ করে মজুত করছেন। এ থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, এ যুদ্ধ আগামী মাস বা তারও বেশি সময় ধরে চলতে পারে।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews