শুষ্ক মৌসুমে পাহাড়ে পানির কষ্ট, অবর্ণনীয় ভোগান্তি, সেটা কেবল ভুক্তভোগীরাই জানেন। এ ছাড়া খাবারের কষ্ট, ফলনের ন্যায্য দাম না পাওয়ার কষ্ট, আরও হরেক রকম কষ্ট আছে। কষ্টের ফেরিওয়ালা যেন পাহাড়ের প্রতিটি মানুষ। পাশাপাশি সমতলের আগন্তুকদের বাড়তি চাপও সামাল দিতে হচ্ছে পাহাড়কে। পাহাড়ে যারা স্থায়ী বন্দোবস্তি করতে যাচ্ছে, তাদের নিয়েই পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠীর মানুষের যত যন্ত্রণা। সম্প্রতি প্রকাশিত সর্বশেষ শুমারি অনুযায়ী, খাগড়াছড়িতে পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠী-বাঙালি অনুপাত ৪৯ ও ৫১। বান্দরবানে পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা মাত্র ৪১ শতাংশ। তবে রাঙামাটিতে এখনো অগ্রগামী তাঁরা, ৫৭ শতাংশ।

পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠী-বাঙালি বিরোধ নতুন নয়। ২০০৮ সালে একবার খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে রক্ত ঝরেছিল। এর আগে-পরে রামগড়, সদর উপজেলা, মহালছড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় বিরোধের আঁচ লেগেছিল। বিভিন্ন সময় রাঙামাটি ও বান্দরবানেও উত্তাপ ছড়িয়েছে। এর ফাঁকে অবশ্য ২০১৫ সাল থেকে পাহাড় অস্থির হয়ে পড়েছিল আঞ্চলিক দলগুলোর মধ্যে বিরোধ নিয়ে, ভ্রাতৃঘাতী সংঘাতে। বড় কয়েকটি ঘটনার মধ্যে খাগড়াছড়ি স্বনির্ভরপাড়া হত্যাকাণ্ড, নানিয়ারচরের চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমা, পরবর্তী সময়ে ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের প্রধান তপনজ্যোতিসহ পাঁচ হত্যাকাণ্ড এবং বাঘাইছড়িতে নির্বাচনী গাড়িতে ব্রাশফায়ার এখনো ভোলেননি পাহাড়ের মানুষ; সমতলও।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews