জাপান যাওয়ার জন্য টাকা দিয়ে দালালের পেছনে ঘুরতে হবে না। সেখানে গিয়ে বেতন-ভাতাও পাওয়া যাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার থেকে ১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা পর্যন্ত। তবে যাওয়ার জন্য জানতে হবে জাপানি ভাষা। ছয় থেকে নয় মাসের ভাষা শিক্ষা কোর্স করেই যাওয়া যাবে জাপানে। পরে সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগও আছে। এমনই আকর্ষণীয় জাপানের শ্রমবাজার। অথচ দেশটিতে কর্মী পাঠানোর এই সম্ভাবনা ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারছে না বাংলাদেশ।

জাপানে সন্তান জন্মদানের হার গোটা বিশ্বেই সর্বনিম্ন। ১২৫ বছরের মধ্যে এ হার ২০২৪ সালে সর্বনিম্ন অবস্থানে নেমে এসেছে। সংকট মোকাবিলায় জাপান সরকার ৩ দশমিক ৬ ট্রিলিয়ন জাপানি ইয়েনের ‘শিশু যত্ননীতি প্যাকেজ’ ঘোষণা করেছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পপুলেশন অ্যান্ড সোশ্যাল সিকিউরিটি রিসার্চের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২০৭০ সাল নাগাদ জাপানের জনসংখ্যা বর্তমানের তুলনায় ৩০ শতাংশ কমে ৮ কোটি ৭০ লাখে নেমে যেতে পারে। তখন দেশটির প্রতি ১০ জন মানুষের মধ্যে ৪ জনের বয়স হবে ৬৫ বা তার বেশি।

সন্তান জন্মদানের হার কমে যাওয়ায় দেশটিতে কর্মক্ষম ও তরুণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বছর বছর কমছে। অন্যদিকে বাড়ছে বয়স্ক লোকের সংখ্যা। দেশটিতে অবশ্য মৃত্যুহারও কম। সে জন্য জাপান এখন ‘বয়স্কদের দেশ’ হিসেবে পরিচিত। ২০২৪ সালের অক্টোবরে দেশটির জনসংখ্যা কমে ১২ কোটি ৩ লাখে নেমেছে, যা এক বছর আগের তুলনায় ৯ লাখ কম। এসব কারণে জাপানের কোম্পানিগুলো কর্মী খুঁজে পাচ্ছে না। শ্রমিকসংকট চরম আকার ধারণ করায় তারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লোক চাইছে। এ সুযোগটাই নিতে পারে বাংলাদেশ। মুশকিল হচ্ছে, জাপানি ভাষা শিক্ষা ছাড়া দেশটিতে কোনো কাজই পাওয়া যায় না।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews