স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ প্রথম আলোকে বলেন, ডিসিরা এখন ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদের কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করতে পারেন। কিন্তু প্রথম শ্রেণির ১৯৪টি পৌরসভায় ডিসিদের পরিদর্শনের এখতিয়ার এখন নেই। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো প্রস্তাবটি পাস হলে ডিসিরা পৌরসভা পরিদর্শন করতে পারবেন। এতে পৌরসভার কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তিনি বলেন, ডিসিরা পৌরসভা নিরীক্ষা (অডিট) করবেন না। পৌরসভার আয়–ব্যয়ের হিসাব ঠিক আছে কি না কিংবা তাদের দরপত্র মূল্যায়ন সঠিক প্রক্রিয়ায় হচ্ছে কি না, এসব বিষয় দেখবেন।

গত ১০ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘বিভাগীয় কমিশনার সমন্বয় সভায়’ দেশের পৌরসভাগুলোর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানে পৌরসভা পরিদর্শনের ক্ষমতা জেলা প্রশাসকদের দেওয়ার দাবি জোরালোভাবে ওঠে। পৌর কর্মীদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য বকেয়া পরিশোধ, নাগরিকদের যথাযথ সেবা প্রদান এবং উন্নয়ন প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণ ত্বরান্বিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।

ওই সভায় আলোচনা হয়, বিদ্যমান পৌরসভা আইনের অস্পষ্টতার সুযোগে অনেক পৌরসভায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও ক্ষমতায় থাকছেন। অনেক পৌরসভায় হোল্ডিং ট্যাক্সের (গৃহকর) মূল্যায়ন সঠিকভাবে হচ্ছে না। কোথাও কোথাও অতিরিক্ত গৃহকর আদায় করার কারণে জনগণের ভোগান্তি হচ্ছে। এ বিষয়ে হোল্ডিং করের মূল্যায়ন সঠিকভাবে হয়েছে কি না, তা তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়। ছয় সদস্যের কমিটির প্রধান করা হয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে (নগর উন্নয়ন)।

বর্তমানে দেশের ৩২৮টি পৌরসভার বেশির ভাগের অবস্থাই রুগ্‌ণ। রাজস্ব আয় কম। এর মধ্যে দুই শতাধিক পৌরসভায় ২ থেকে ৬০ মাস পর্যন্ত বেতন-ভাতা বকেয়া। বকেয়ার পরিমাণ প্রায় ৮৭৫ কোটি টাকা। পৌরসভায় স্থায়ী কর্মীর চেয়ে অস্থায়ী কর্মীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ। স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে পৌরসভাগুলোতে অস্থায়ী কর্মী নিয়োগ বন্ধ করতে বলা হলেও সেটি মানা হচ্ছে না।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews