বিলিয়ন ডলার ক্লাবে জায়গা নেওয়া শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর গত অর্থবছরে মোট আমদানি–রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ২৫৪ কোটি মার্কিন ডলার, যা ওই অর্থবছরে দেশের মোট আমদানি–রপ্তানির ১১ শতাংশ। এসব প্রতিষ্ঠান গত অর্থবছরে সরকারকে রাজস্ব দিয়েছে ১৭ হাজার ৮১৩ কোটি টাকা। এসব প্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান হয়েছে সোয়া পাঁচ লাখ মানুষের।
এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী, বসুন্ধরা গ্রুপ ২০২৩–২৪ অর্থবছরে আমদানি–রপ্তানিতে ১১২ কোটি ডলার লেনদেন করে বিলিয়ন ডলার ক্লাবে জায়গা করে নিয়েছিল। তবে ২০২৪–২৫ অর্থবছরে তাদের লেনদেনের পরিমাণ নেমেছে ৫১ কোটি ডলারে। মূলত ভোগ্যপণ্য, ক্লিংকারসহ শিল্পের কাঁচামাল আমদানি কমেছে গ্রুপটির। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর গ্রুপটির নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে দুদক, সিআইডি, এনবিআরসহ সরকারের বিভিন্ন সংস্থা অনুসন্ধান শুরু করে।
বিলিয়ন ডলার ক্লাব
বিলিয়ন ডলার ক্লাবে জায়গা নেওয়া তিনটি শিল্প গ্রুপ দেশের রপ্তানিতেও নেতৃত্ব দিচ্ছে। গ্রুপ তিনটি হলো ইয়াংওয়ান, প্রাণ–আরএফএল ও স্কয়ার গ্রুপ। এই তিন প্রতিষ্ঠানেরই আমদানি–রপ্তানিতে গত অর্থবছরে দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বাকি পাঁচটি মূলত দেশের আমদানি প্রতিস্থাপক শিল্পের নেতৃত্ব দিচ্ছে। যার ফলে আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে অনেক পণ্য দেশীয় উৎপাদননির্ভর হচ্ছে। সীমিত আকারে কেউ কেউ রপ্তানিও করছে।