এবিএম আতিকুর রহমান, ঘাটাইল (টাঙ্গাইল) থেকে

বাংলারজমিন ২২ নভেম্বর ২০২০, রোববার



উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, সন্ধানপুর, রসূলপুর, সাগরদিঘী, লক্ষ্মীন্দর, ধলাপাড়া, দেউলাবাড়ি, সংগ্রামপুর সহ ১৪ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৯টি ইউনিয়নে এ বছর আমনের মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৪৭০ হেক্টর জমি। যা গত বছরের তুলনায় ২ হাজার ৬৫০ হেক্টর বেশি।

রামদেবপুর গ্রামের কৃষক মনসুর আলী বলেন, এ বছর তিন বিঘা জমিতে আমন ধানের চাষ করেছি। এক বিঘা বন্যায় নষ্ট হলেও দুই বিঘার জমির ধান ভালো হয়েছে। সিংগেরচালা গ্রামের সুজন মিয়া বলেন, চলতি মৌসুমে আড়াই বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছি। দফায় দফায় বৃষ্টি হওয়ায় পোকা- মাকড়ের আক্রমণ কম হওয়ায় রোগ-বালাইও কম হয়েছে। অন্য বছরের তুলনায় ফলন ভাল হয়েছে। দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের কৃষক খলিল মিয়া বলেন, এবারের বন্যায় মাটিতে পলি পড়ার কারণে ফলন অনেক ভালো হয়েছে। দামও ভালো।
 জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা যায়, গত বছর জেলায় ৮৬ হাজার ৯০৬ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ৮৮ হাজার ২৫২ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছিল। চলতি বছর ৮৮ হাজার ২৬০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেখানে ৮৯ হাজার ৮৬১ হেক্টর জমিতে আমনের চাষ করা হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এক হাজার ৬০১ হেক্টর বেশি।
উপজেলা কৃষি অফিসার দিলশাদ জাহান বলেন, বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। কারণ আমনে তেমন সেচের প্রয়োজন হয় না, সার কম খরচ হয়। তাছাড়া লক্ষমাত্রার চেয়েও ফলন বেশি হয়েছে। বাজারে ধানের দাম ভাল। এভাবে ধানের দাম থাকলে ঘাটাইলের কৃষকরা অনেক লাভবান হবেন। দ্রুত বন্যায় যে ক্ষতি হয়েছে তা অনেকটাই পুষিয়ে নিতে পারবেন কৃষকরা।

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় আমন ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাঁসি ফুটে উঠেছে। তিন দফা বন্যার পর একটু দেরিতে হলেও মাঠে মাঠে সোনালি পাকা আমন ধানের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে সুখের হাসি ফুটে উঠেছে। প্রতিটি ক্ষেত যেন সোনালি রঙের চাদর দ্বারা আবৃত। নয়ানাভিরাম সোনালি রঙে রাঙিয়ে তুলেছে মাঠের পর মাঠ। প্রকৃতি সেজেছে হলুদ রঙে। এ যেন শত দুঃখ-কষ্টের পরেও একটু সুখের ছোঁয়া। গত বছরের তুলনায় চলতি আমনের মৌসুমে ফলন ভালো ও দাম বেশি হওয়ায় কৃষকও বেশ খুশি।উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, সন্ধানপুর, রসূলপুর, সাগরদিঘী, লক্ষ্মীন্দর, ধলাপাড়া, দেউলাবাড়ি, সংগ্রামপুর সহ ১৪ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৯টি ইউনিয়নে এ বছর আমনের মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৭ হাজার ৪৭০ হেক্টর জমি। যা গত বছরের তুলনায় ২ হাজার ৬৫০ হেক্টর বেশি।রোপা আমন ধান অর্জিত ২৩ হাজার ৫৬০ হেক্টর। আমন মৌসুমে ধানের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৬১ হাজার ৭শ’ ২৮ মেট্রিক টন চাল। এ বছর ফলন হয়েছে ৯২ হাজার ৫৯২ মেট্রিক টন ধান যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দেড়গুণ বেশি।রামদেবপুর গ্রামের কৃষক মনসুর আলী বলেন, এ বছর তিন বিঘা জমিতে আমন ধানের চাষ করেছি। এক বিঘা বন্যায় নষ্ট হলেও দুই বিঘার জমির ধান ভালো হয়েছে। সিংগেরচালা গ্রামের সুজন মিয়া বলেন, চলতি মৌসুমে আড়াই বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছি। দফায় দফায় বৃষ্টি হওয়ায় পোকা- মাকড়ের আক্রমণ কম হওয়ায় রোগ-বালাইও কম হয়েছে। অন্য বছরের তুলনায় ফলন ভাল হয়েছে। দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের কৃষক খলিল মিয়া বলেন, এবারের বন্যায় মাটিতে পলি পড়ার কারণে ফলন অনেক ভালো হয়েছে। দামও ভালো।জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা যায়, গত বছর জেলায় ৮৬ হাজার ৯০৬ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও ৮৮ হাজার ২৫২ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছিল। চলতি বছর ৮৮ হাজার ২৬০ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেখানে ৮৯ হাজার ৮৬১ হেক্টর জমিতে আমনের চাষ করা হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে এক হাজার ৬০১ হেক্টর বেশি।উপজেলা কৃষি অফিসার দিলশাদ জাহান বলেন, বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। কারণ আমনে তেমন সেচের প্রয়োজন হয় না, সার কম খরচ হয়। তাছাড়া লক্ষমাত্রার চেয়েও ফলন বেশি হয়েছে। বাজারে ধানের দাম ভাল। এভাবে ধানের দাম থাকলে ঘাটাইলের কৃষকরা অনেক লাভবান হবেন। দ্রুত বন্যায় যে ক্ষতি হয়েছে তা অনেকটাই পুষিয়ে নিতে পারবেন কৃষকরা।



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews