শেষ মুহূর্তে ঈদ যাত্রায় অনেকের ভরসা দুই চাকার যান বাইক। অনেকেই পরিবার আগেই গ্রামে পাঠিয়ে দিয়েছেন। নিজে অপেক্ষায় ছিলেন অফিস ছুটির। শখের বাইকটিকে সঙ্গে করে ছুটবেন এবার নাড়ির টানে বাড়ি। তবে যারা এই ব্যস্ত মুহূর্তে বাইকে যাত্রা করছেন তাদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
ঈদযাত্রায় বাইক সঙ্গী হলে অবশ্যই বাইকের সব কাগজপত্র সঙ্গে রাখুন। পথে ট্রাফিকের ঝামেলা থেকে সহজেই মুক্তি পাবেন। সঙ্গে কাগজপত্র না থাকলে যে কোনো সময় ট্রাফিকের কাজ থেকে কয়েক হাজার টাকার মামলা পেতে পারেন। সেসব ঝামেলা এড়াতে বাইকের কী কী কাগজপত্র সঙ্গে রাখবেন এবং কী কী সতর্কতা অবলম্বন করবেন আসুন জেনে নেওয়া যাক-
ড্রাইভিং লাইসেন্স
মহাসড়কে মোটরসাইকেল চালানোর সময় অবশ্যই সঙ্গে রাখুন ড্রাইভিং লাইসেন্স। যদি লাইসেন্স না থাকে তাহলে অবশ্যই ট্রাফিক পুলিশ যে কোনো সময় আপনাকে আটক করতে পারে। সেই সঙ্গে গুনতে হবে জরিমানা।
রেজিস্ট্রেশন নাম্বার
ঝামেলাহীনভাবে মোটরসাইকেল চালাতে রেজিস্ট্রেশন নম্বর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রেজিস্ট্রেশন নম্বর বাইকের বৈধ অস্তিত্ব সঙ্গে আপনার মালিকানা নিশ্চিত করে। রেজিস্ট্রেশন ছাড়া বাইক চালালে, বাইক ডাম্পিংয়ে নেওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
ট্যাক্স টোকেন
ট্যাক্স টোকেনটি মূলত বাংলাদেশের রাস্তায় বৈধভাবে বাইক চালানোর অনুমতিপত্র। সহজ ভাষায় বললে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বৈধভাবে বাইক চালানোর জন্য সরকারকে যে ট্যাক্স দেওয়া হয় তার রসিদ।
হেলমেট
কাগজের সঙ্গে আরও একটি জিনিস সঙ্গে রাখা গুরুত্বপূর্ণ। সেটি হচ্ছে হেলমেট। মোটরসাইকেল চালানোর সময় নিরাপত্তার জন্য অবশ্যই হেলমেট পরতে হবে। হেলমেট না থাকলে জরিমানা করবেন ট্রাফিক পুলিশ। এছাড়া নিজের নিরাপত্তার জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ।
ইনস্যুরেন্স
ইনস্যুরেন্স বাইকের জন্য রক্ষা কবজ। বাংলাদেশের আইনুযায়ী রাস্থায় বৈধভাবে বাইক চালাতে বাইকের ইনস্যুরেন্স বাধ্যতামূলক।
এছাড়া রাস্তায় অবশ্যই ট্রাফিক আইন এবং নিয়মকানুন মেনে চলুন। এতে অযথা ঝামেলা থেকে দূরে থাকতে পারবেন। নিরাপত্তার জন্য মোটরসাইকেল সেফটি গিয়ারগুলো পরে নিবেন। বাইক চালানোর সময় অযথা ঝুঁকি নেবেন না। নিজের এবং প্রিয়জনের নিরাপত্তা আপনার হাতে।
কেএসকে/এএসএম