জনপ্রিয় দুই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও টুইটার পাকিস্তান থেকে তাদের নিজেদের ব্যবসা গুটিয়ে নিচ্ছে বলে শোনা যাচ্ছে। এ ঘটনায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে দেশটিতে। 

সম্প্রতি পাকিস্তান সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, যেকোনও ডিজিটাল কনটেন্ট সেন্সর করা হবে। বুধবার ওই সেন্সর করার ক্ষমতা দেওয়া হয় এক সরকারি সংস্থাকে।

এ নিয়ে এবার আসরে নেমেছে এশিয়া ইন্টারনেট কোয়ালিশন(এআইসি)। এই সংস্থার সদস্য হল- গুগল, ফেসবুক, টুইটার-সহ অন্যান্য ডিজিটাল প্লাটফর্মগুলি। তারা এক টুইটারে এক বিবৃতিতে বলেছে, ইন্টারনেট কোম্পানিগুলিকে যেভাবে পাকিস্তান সরকার লক্ষ্য করেছে তাতে আমরা শঙ্কিত। সরকারের অস্বচ্ছ পদ্ধতির সেন্সর নিয়ম চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে পাকিস্তানে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল টিকটক। সংস্থাটি তার কনটেন্ট সেন্সর করবে এই প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পর তারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফিরেছে। পাকিস্তান সরকার কঠোরভাবে হুঁশিয়ারি করে জানায়, এমন কোনও বিষয়বস্তু প্রচার করা যাবে না যা ইসলাম বিরোধী, সন্ত্রাসবাদের সমর্থক, পর্নগ্রাফি বা জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে ক্ষতিকর।

এআইসির পক্ষে জানানো হয়েছে, পাকিস্তান সরকার কনটেন্ট সেন্সর করার যে পদ্ধতির কথা বলছে তাতে সাধারণ মানুষ স্বাভাবিকভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবে না। এর ফলে পাকিস্তানের সঙ্গে অন্যান্য দেশের ডিজিটাল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাবে। এভাবে চললে তাদের সদস্যদের পক্ষে পাকিস্তানিদের জন্যে সেবা দেওয়া হুমকি হয়ে পড়বে।

অবশ্য এআইসির বিবৃতির পর ইমরান খান সরকার এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে আগেই ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়েছিল যে, বলা সত্বেও অনলাইন থেকে পাকিস্তান বিরোধী, অশ্লীল ও জাতিবিদ্বেষমূলক পোস্ট দেরি করে সরাচ্ছে একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া। তার পরেই এই নতুন নিয়ম জারি করে পাকিস্তান সরকার। সূত্র: এনডিটিভি



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews