বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের সঙ্গে আদালতে উপস্থিত হন আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি

বহুল আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার রায়ের তারিখ আজ ঘোষণা হতে পারে। এছাড়া জামিনে থাকা নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির জামিনের মেয়াদও আজ শেষ হবে হবে বলে জানান মিন্নির আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম।

তিনি বলেন, আমরা মিন্নির জামিনের জন্য আবার আবেদন করাব। মিন্নি ব্যতীত এ মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির মধ্যে নয়জন আসামির পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। ইতোমধ্যেই মিন্নিকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য আদালতে আমরা যুক্তি উপস্থাপন করেছি। আজ রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা মিন্নির পক্ষে উপস্থাপিত যুক্তি খণ্ডন করবেন। এরপর আদালত এ মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা করতে পারেন। তিনি আরও বলেন, যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উচ্চ আদালতের আদেশে জামিনে থাকা আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির জামিনের মেয়াদও শেষ হবে। তাই আমার জিম্মায় পুনরায় মিন্নির জামিনের জন্য আদালতে আবেদন করব। এরপর আদালত আদেশ দেবেন। রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক আসামিরা হলেন- রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজি, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান, মো. মুসা, আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর ও কামরুল ইসলাম সাইমুন। মামলার ধার্য তারিখ থাকায় আজ বুধবার সকাল নয়টার দিকে বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের সঙ্গে আদালতে উপস্থিত হন আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয়েছে এ মামলায় কারাগারে থাকা প্রাপ্তবয়স্ক আট আসামিকেও। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে আদালত প্রাঙ্গণজুড়ে। আদালতে আসা সকল বিচারপ্রার্থীদের তল্লাশি করে ঢোকানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত বছরের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে তার স্ত্রী মিন্নির সামনে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দুর্বৃত্তরা। এরপর রিফাতকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনার পর ওইদিন তিনি মারা যান। পরদিন ২৭ জুন রিফাতের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বাদী হয়ে বরগুনা থানায় ১২ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা করেন। এই মামলায় একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে প্রধান সাক্ষী করা হয় মিন্নিকে। পরে গত ১ সেপ্টেম্বর রিফাত শরীফের স্ত্রী মিন্নিসহ প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক ২৪ জনের নামে পৃথক দুটি অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করে পুলিশ। এরমধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জন। মো. মুসা নামের এক আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আছাদুজ্জামান।
এসএ/পি

বহুল আলোচিত বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যা মামলার রায়ের তারিখ আজ ঘোষণা হতে পারে। এছাড়া জামিনে থাকা নিহত রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির জামিনের মেয়াদও আজ শেষ হবে হবে বলে জানান মিন্নির আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম।তিনি বলেন, আমরা মিন্নির জামিনের জন্য আবার আবেদন করাব। মিন্নি ব্যতীত এ মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির মধ্যে নয়জন আসামির পক্ষে-বিপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে। ইতোমধ্যেই মিন্নিকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য আদালতে আমরা যুক্তি উপস্থাপন করেছি। আজ রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীরা মিন্নির পক্ষে উপস্থাপিত যুক্তি খণ্ডন করবেন। এরপর আদালত এ মামলার রায়ের তারিখ ঘোষণা করতে পারেন। তিনি আরও বলেন, যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উচ্চ আদালতের আদেশে জামিনে থাকা আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির জামিনের মেয়াদও শেষ হবে। তাই আমার জিম্মায় পুনরায় মিন্নির জামিনের জন্য আদালতে আবেদন করব। এরপর আদালত আদেশ দেবেন। রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক আসামিরা হলেন- রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজি, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান, মো. মুসা, আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর ও কামরুল ইসলাম সাইমুন। মামলার ধার্য তারিখ থাকায় আজ বুধবার সকাল নয়টার দিকে বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোরের সঙ্গে আদালতে উপস্থিত হন আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয়েছে এ মামলায় কারাগারে থাকা প্রাপ্তবয়স্ক আট আসামিকেও। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে আদালত প্রাঙ্গণজুড়ে। আদালতে আসা সকল বিচারপ্রার্থীদের তল্লাশি করে ঢোকানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত বছরের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে তার স্ত্রী মিন্নির সামনে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে দুর্বৃত্তরা। এরপর রিফাতকে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনার পর ওইদিন তিনি মারা যান। পরদিন ২৭ জুন রিফাতের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বাদী হয়ে বরগুনা থানায় ১২ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা করেন। এই মামলায় একমাত্র প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে প্রধান সাক্ষী করা হয় মিন্নিকে। পরে গত ১ সেপ্টেম্বর রিফাত শরীফের স্ত্রী মিন্নিসহ প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক ২৪ জনের নামে পৃথক দুটি অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করে পুলিশ। এরমধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জন। মো. মুসা নামের এক আসামি এখনো পলাতক রয়েছেন। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আছাদুজ্জামান।এসএ/পি



Contact
reader@banginews.com

Bangi News app আপনাকে দিবে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা যা আপনি কাগজের সংবাদপত্রে পাবেন না। আপনি শুধু খবর পড়বেন তাই নয়, আপনি পঞ্চ ইন্দ্রিয় দিয়ে উপভোগও করবেন। বিশ্বাস না হলে আজই ডাউনলোড করুন। এটি সম্পূর্ণ ফ্রি।

Follow @banginews