৩৫ মিনিট আগে
খবরে বলা হচ্ছে, দেশে রাজনৈতিক মাঠে নতুন মেরূকরণ হতে পারে ঈদের পর। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী এবং জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মাঠে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের জন্য সক্রিয় হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
তবে এ প্রতিযোগিতা দলগুলোর জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে, যা রাজনৈতিক সংঘাতের নতুন ধারা সৃষ্টির ধারণা করা হচ্ছে।
বিএনপি সংস্কার শেষ করে দ্রুত নির্বাচন চায়, জামায়াত প্রয়োজনীয় সংস্কারের পর নির্বাচন দিতে চায় আর এনসিপি চায় গণপরিষদ নির্বাচন।
এ নিয়ে দলগুলোর কর্মসূচি উত্তপ্ত হওয়ার শঙ্কা দেখছেন বিশ্লেষকরা।
অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা।
তবে পাঁচই অগাস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সরকার সংস্কার ইস্যুর বাস্তবায়ন নিয়ে কিছু সময় বিলম্বের আভাসও দেওয়া হয়েছে।
বিএনপি ঈদের পর কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত নির্বাচনী প্রস্তুতি বাড়াতে জোরেশোরে মাঠে নামবে। দলটি নির্বাচনের দাবিতে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে সমাবেশ করবে।
জামায়াতও তৃণমূলে পুনর্গঠন শুরু করেছে এবং স্বতন্ত্রভাবে সংগঠন বিস্তার করছে।
এদিকে, এনসিপি, যা ফেব্রুয়ারিতে আত্মপ্রকাশ করেছে, তৃণমূলে কমিটির কাজ শুরু করেছে এবং সক্রিয় হতে যাচ্ছে।
কিন্তু যাদের ত্যাগে এই ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের অবসান হয়েছে সেই শহীদদের পরিবারে নেই ঈদের আনন্দ।
ঈদের আনন্দের পরিবর্তে ওইসব পরিবারে বিষাদের কালো ছায়া, শোকের আবহ। প্রিয় স্বজনকে ছাড়া ঈদ কাটবে শহীদদের পরিবারে।
গেল বছরগুলোতে এসকল শহীদরা স্বজনদের নিয়ে কেনাকাটা করেছেন। কিন্তু এবারের ঈদে তারা কেবলই স্মৃতি।
ঈদের দিনে প্রিয়জনদের কবরের পাশে আর্তনাদে কাটবে স্বজনদের সময়।
অনেক শহীদের বাড়িতে রান্না হবে না বিশেষ কোন খাবার।
অনেকে পরিবারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন।
অনেকে আবার কান্নায় ভেঙে পড়েছেন গেল বছরগুলোর স্মৃতি মনে করে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই গণ - অভ্যুত্থানে পটপরিবর্তনের পর বদলে গেছে দেশের রাজনৈতিক হিসাবনিকাশ।
অনেক বছর পর নতুন আবহে এসেছে ঈদ। আওয়ামী লীগের টানা ১৬ বছর শাসনামলে চাপে থাকা বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ আরও অনেক রাজনৈতিক দলের নেতা- কর্মীদের জন্য ঈদ এবার ভীষণ স্বস্তির।
গণ - অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিয়ে গড়ে ওঠা নতুন রাজনৈতিক দল এনসিপি নেতা-কর্মীরাও ঈদের লম্বা ছুটিতে নিজেদের প্রচারে পাচ্ছেন দারুণ সুযোগ।
সব মিলিয়ে আগামী জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে ঈদে এবার জমে উঠবে রাজনীতির আলাপ।
দেশের রাজনীতিতে এখন দুটি শব্দই সবচেয়ে বড় করে ও গুরুত্ব দিয়ে উচ্চারিত হচ্ছে , 'সংস্কার' আর 'নির্বাচন'।
দীর্ঘ সিয়াম সাধনার পর আনন্দের বার্তা নিয়ে মুসলিম উম্মাহর দ্বারপ্রান্তে হাজির পবিত্র ঈদুল ফিতর। এখন কেবল পশ্চিমাকাশে শাওয়ালের নতুন চাঁদের অপেক্ষা।
সেই অপেক্ষা আর উৎসব আয়োজনের কথাই তুলে ধরা হয়েছে এই প্রতিবেদনে।
চিকন সে চাঁদের ক্ষীণ আলোই আনন্দের তীব্র আভা ছড়াবে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের হৃদয়ে; বিশ্বজুড়ে। খুশির আবহে পূর্ণতা পাবে ঈদের সব আয়োজন।
মুসলমানদের অন্যতম এই প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর ঠিক কবে অনুষ্ঠিত হবে, তা জানা যাবে আজ রোববার সন্ধ্যায়।
আজ চাঁদ দেখা গেলে কাল সোমবার ঈদ। চাঁদ না উঠলে মঙ্গলবার ঈদুল ফিতর।
আজ সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে বৈঠকে বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। সেখানেই সারাদেশের প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে নির্ধারণ করা হবে ঈদের দিন-তারিখ।
Easy ride home বা স্বস্তির বাড়ি ফেরা। ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান খবর এটি।
এবারের ঈদ যাত্রা অন্যান্য বছরের তুলনায় অপেক্ষাকৃত স্বস্তির হয়েছে বলে বলা হয়েছে এ খবরে।
বলা হয়েছে, লম্বা ছুটি, গার্মেন্টস কারখানাগুলোতে ধাপে ধাপে ছুটি, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় উন্নতি ইত্যাদি এর পেছনে ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
যানজট প্রবণ এলাকাগুলোর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় সেনা সদস্যদের সম্পৃক্ত করা, ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গের পথের কিছু প্রতিবন্ধকতা সরিয়ে নেওয়া এবং যমুনা রেল সেতু চালুকেও কৃতিত্ব দিচ্ছেন তারা।
অবশ্য এর মধ্যে বেসরকারি বাস কোম্পানিগুলো, বিশেষ করে এসি বাস সার্ভিসের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এতে যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
কর্তৃপক্ষের নানা প্রচেষ্টার পরও ট্রেন এবং লঞ্চের ছাদে ঝুঁকিপূর্ণ থামানো সম্ভব হয়নি এবারও।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ব্যাংকে আবেদন করার আগেই ঋণের টাকা গ্রাহকের হিসাবে ছাড় করার ঘটনা ঘটেছে।
গ্রাহক ঋণের হিসাব খোলেননি, অথচ ব্যাংকের হিসাব থেকে গ্রাহককে নগদ টাকা দেওয়া হয়েছে।
পরিচালনা পর্ষদে ঋণের প্রস্তাব ওঠার আগেই টাকা দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক চেক ছাড়াই শুধু একটি স্লিপ লিখে গ্রাহকের প্রতিনিধির কাছে নগদ টাকা দেওয়া হয়েছে।
বস্তায় ভরে ব্যবসায়ীরা এসব টাকা নগদ আকারে নিয়েছেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গত ১৫ বছর তাদের প্রশ্রয়ে ব্যাংক খাতে নজিরবিহীন ঋণ জালিয়াতির এসব ঘটনা উদ্ঘাটিত হয়েছে।
এস আলম, বেক্সিমকো ও নাবিল গ্রুপের মতো প্রতিষ্ঠান এসবের সঙ্গে জড়িত। গ্রুপগুলো বাসার কাজের লোক, গাড়ির ড্রাইভার, কোম্পানির কর্মীদের পরিচালক বানিয়ে কোম্পানির নিবন্ধন নিয়েছে।
তারপর তাদের নামে নেওয়া হয় ব্যাংক ঋণ। এছাড়া অস্তিত্ব নেই, এমন কোম্পানির নামেও হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে। জালিয়াতির মাধ্যমে নিজ নামে ও বেনামে নেওয়া ঋণের টাকা পাচার করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সম্মানজনক 'মেডেলিন অলব্রাইট অনারারি গ্রুপ অ্যাওয়ার্ড' পেয়েছেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশ নেওয়া নারী শিক্ষার্থীরা। আন্তর্জাতিক নারী সাহসিকা (ইন্টারন্যাশনাল উইমেন অব কারেজ—আইডব্লিউওসি) পুরস্কারের পাশাপাশি এই পুরস্কার দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে এই পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
পহেলা এপ্রিল পররাষ্ট্র দপ্তরে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের আয়োজনে বিজয়ীদের এই অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হবে।
এই অ্যাওয়ার্ড পাওয়ায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের নারী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাই-অগাস্টের আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীরা যে সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন তার স্বীকৃতি হিসেবেই এই পুরস্কার দেয়া হচ্ছে।
প্রতিবেদন বলছে, চীনে রফতানিতে ২০২০ সালে বাংলাদেশী ৯৭ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া যেত। ২০২২ সালের আগে তা বাড়িয়ে ৯৮ শতাংশ করা হয়।
এর মধ্যে চামড়া ও চামড়াজাতসহ ৩৮৩টি নতুন পণ্য ছিল।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশসহ এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর শতভাগ পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেয় চীন।
সে সুবিধা ২০২৮ সাল পর্যন্ত বেড়েছে। চীন সফরে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বৈঠকের পর এ ঘোষণা আসে।
তবে ছয় বছর ধরে শুল্ক সুবিধা পাওয়ার পরও চীনে তেমন বাড়েনি বাংলাদেশের পণ্য রফতানি।
চীনে ২০১৮-১৯ অর্থবছরেও বাংলাদেশী পণ্য রফতানির অর্থমূল্য ছিল ৮৩ কোটি ডলার, যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এসে দাঁড়ায় সাড়ে ৭১ কোটি ডলারে।
বলা হচ্ছে, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আট দেশে শুক্রবার আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত মায়ানমারে নিহত ব্যক্তির সংখ্যা দেড় হাজার ছাড়িয়েছে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে আশঙ্কা করা হচ্ছে, তা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে মায়ানমারেই।
ভূমিকম্পে মায়ানমারের পাশাপাশি বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে থাইল্যান্ডে।
দক্ষিণ-পশ্চিম চীন, ভারত, ভিয়েতনাম, লাওস, কম্বোডিয়া ও বাংলাদেশেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।
তবে, ব্যারেন উপদ্বীপে জীবন্ত আগ্নেয়গিরির ফল্টের সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরিসংযোগ না থাকার কারণে কোনো ক্ষতি হয়নি।